আবার সিরোনামে আইন রক্ষার বিশেষ ভূমিকায় শ্যামল পাল ও পাঁড়ুই থানা । sHARE করুন আপনার বন্ধু ও পরিচিতিদের সাথে ।

আমাদের পেজ সেয়ার ও থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

গত কয়েক দিন আগেই ইলামবাজার থানার সাথে সহোযগিতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠলেও এবার পূর্ণ সহোযগিতা পেয়েছেন পাঁড়ুই থানার বড়োবাবু (তন্ময় ঘোষ) ও ASI (সৈয়দ হোসনে জামাল) মহাশয়ের কাছে । তাতে ভিষন খুশি শ্যামল পাল । তিনি এটাও জানিয়েছেন বর্ষসেরা “সেরা পুলিশ অফিসার” ও “সেরা থানা” জন্য নাম মনোনিত করার অনুরোধ জানাবেন উচ্চ আধিকারির কাছে ।
ঘটনাটি ঘটেছে ইংরেজি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে । পাঁড়ুই থানার অন্তর্গত মনোহরপুর গ্রামের ছেলে সাহেব কৈবর্ত্ত্য সাথে মহুলা গ্রামের মেয়ে “মন্দিরা পাত্র”-র প্রেমের সম্পর্ক থাকায় পালিয়ে বিয়ে করেন । দুই জনেই প্রাপ্ত বয়স্ক হলেও মেনে নিতে রাজি নয় মেয়ের বাড়ি । মেয়েটার পরিবার থেকে মেয়ের মা ও বোন মেয়েটার উপর মারধর করে এবং নানা হুমকি আসতে থাকে ছেলের পরিবারে । ছেলের পরিবার ভয় পেয়ে সহোযগিতা চান ইন্ডিয়ান হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম কন্ট্রোলের বীরভূমের সেক্রেটারি-শ্যামল পালের কাছে । ওই কমিটির ভারপ্রাপ্ত মেম্বারেরা চেয়ে ছিলেন দুই পরিবারকে একসাথে বসিয়ে মিলিয়ে দিতে, কিন্তু এতে রাজি নয় মেয়ের পরিবার ।
ইন্ডিয়ান হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম কন্ট্রোলের বীরভূমের সেক্রেটারি-শ্যামল পাল ও পাড়ুই থানার বড়ুবাবু তন্ময় ঘোষ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এই কেশে । পাঁড়ুই থানার বড়ুবাবু কেশটি দেখার দায়িত্ব দেন ASI(সৈয়দ হোসনে জামাল) মহাশয়ের হাতে । তিনি কর্তব্য ও দায়িত্বের সাথে সমস্ত সমস্যা সমাধান করেন । সাহেব কৈবর্ত্ত্য ও মন্দিরা পাত্র জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম কন্ট্রোল ও পাড়ুই থানার পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছেন, এতে ওনারা ভিষন খুশি ।

337total visits.