বিশ্বভারতীতে জাল মার্কশিট । sHARE করুন আপনার বন্ধু ও পরিচিতদের সাথে ।

আমাদের পেজ ফলো ও সেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানায় ।

বিশ্বভারতীতে জাল মার্কশিট কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিংহ । একইসঙ্গে প্রাক্তন রেজিস্ট্রার দিলীপ মুখোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন অধ্যাপিকা মুক্তি দেব। ঘটনার সূত্রপাত এই মুক্তি দেবের নিয়োগকে ঘিরে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতের অধ্যাপিকা ছিলেন মুক্তি দেব ।
১৯৯৬-এ বিশ্বভারতীতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল । অন্য অনেকের মতো মুক্তি দেব আবেদন করেছিলেন। তাঁর জমা দেওয়া মার্কশিটের অ্যাটাস্টেড করা ছিল দিলীপ সিনহার । ১৯৯৭ সালের ২৭ জানুয়ারি নিযুক্ত হয়েছিলেন মুক্তি দেব । ২০০২ সালে পিএইডি-র জন্য আবেদন করতে গিয়েই গোলযোগ বাধে । ২০০৪ সালে অধ্যাপিকার পদ থেকে সাসপেন্ড হন মুক্তি দেব । ওই বছরের মে মাসে তত্‍কালীন কর্মসচিবের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় । একমাসের মধ্যেই গ্রেফতার হন মুক্তি দেব এবং দিলীপ সিনহা । যদিও পরে তাঁরা জামিনে ছাড়া পেয়ে যান । প্রায় একবছরের মধ্যে ২০০৫-এর মার্চে সিআইডি চার্জশিট জমা দেয় ।
নিয়োগের সময় থেকেই জালিয়াতি করেছিলেন মুক্তি দেব । তিনি জানিয়েছিলেন, যাদবপুর এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ । অধ্যাপিকা হিসেবে নিয়োগের পর বিশ্বভারতীতেই পিএইচডি করার জন্য আবেদন করেন মুক্তি দেব । সেই সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার আসল নথি তলব করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । মুক্তি দেব সেই সময় যাদবপুর থানায় দায়ের করা একটি জিডির কপি পেশ করেন । যাতে অভিযোগ করা হয়েছে, বাড়ি থেকে সব নথি চুরি হয়ে গিয়েছে । সেই সময় সন্দেহ বাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ।
ইতিমধ্যেই উপাচার্য বদল হয়ে গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে । সেই সময়ে উপাচার্য ছিলেন সুজিত কুমার বসু । যাদবপুরের পাশাপাশি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে তথ্য তলব করা হয় । যাদবপুরের তরফে জানানো হয়, যেই সময়ের কথা বলা হচ্ছে, সেই সময় মুক্তি দেব নামে কোনও ছাত্রী তাদের ওখানে ছিলেন না । অন্যদিকে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় জানায় পার্ট ওয়ানে মুক্তি দেবের নাম পাওয়া গেলেও, অন্য কোনও রেকর্ড পাওয়া যায়নি ।
১৫ বছর ধরে মামলা চলার পর বুধবার বোলপুর আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেন । অভিযুক্ত তিনজনই আপাতত পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন ।

40total visits.