সোসাল মিডিয়াতে রাজনৈতিক পোষ্ট করলে পরতে হবে বিপদে । sHARE করুন আপনার বন্ধু ও পরিচিতদের সাথে ।

এ দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি । সম্প্রতি দেশবাসীর কাছে সহজে পৌঁছানোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়েছে । কয়েক বছরে তার সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে । লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজ্ঞাপন দেওয়া নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ । কে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে এবং বিজ্ঞাপনের ব্যয়ভার কে বহন করছে তা সবই উল্লেখ করা থাকবে । মে মাসে হওয়া নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নিল ফেসবুক ।
বিজ্ঞাপনের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আনতেই এমন ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক । বছর তিনেক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় অনলাইন সংস্থাগুলি ফেসবুকে প্রচুর বিজ্ঞাপন দিয়েছিল । সেই সমস্ত বিজ্ঞাপনের বেশিরভাগটাই দেওয়া হয়েছিল বেনামে । অর্থাত্‍ কে কোন বিজ্ঞাপন দিচ্ছে তা বোঝার উপায় ছিল না । এই ঘটনার পর নতুন করে ভাবনা চিন্তা শুরু করে ফেসবুক । তারই ফল হিসেবে এ দেশে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে সতর্ক হল তারা ।
ফেসবুক জানিয়েছে, এখানে প্রচুর মানুষের কাছে অনেক সহজে পৌঁছে যাওয়া যায় । তাই রাজনৈতিক দলগুলি তাদের প্রচারের জন্য ফেসবুককে কাজে লাগায়, বিভিন্ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে সেখানে । কিন্তু এই বিজ্ঞাপন বা প্রকল্প কে দিচ্ছে তা বুঝতে পারে না গ্রাহক, ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় । তাই নির্বাচনী প্রচারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ করল ফেসবুক । সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘‌বিজ্ঞাপনটি কে বা কারা দিয়েছে সে বিষয়ে নেটিজেনরা বেশি করে তথ্য পাবে আর এটাই আমাদের উদ্দেশ্য । ফেসবুকের রাজনৈতিক দলের পেজগুলিতে যে নিখাদ প্রচার হচ্ছে তা দেখানোর জন্য প্রাথমিকভাবে দেশটির অবস্থানও দেখানো হবে ।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফেসবুক এবং ইন্টারনেটের অন্য মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে খরচ হয়েছিল ১৫ বিলিয়ন । এবার তা বেড়ে দ্বিগুণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে । গত নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে প্রচুর টাকা খরচ হয়েছিল । এবারও এরকমই কিছু হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা । পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও । দলের সভাপতি রাহুল গান্ধী ফেসবুক থেকে শুরু করে টুইটারে আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছেন । ২০১৭ সালে হওয়া গুজরাট বিধানসভা ভোটের সময় টুইটারকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে নিশানা করেন রাহুল । এরপর গত এক বছর ধরে সেই ধারাই বজায় আছে । এখন প্রায় প্রতিদিনই কোনও একটি বিষয়কে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী এবং বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি । পাল্টা দেয় বিজেপিও । এই আক্রমণ প্রতি আক্রমণকে ঘিরে গ্রাহকদের মধ্যে উত্‍সাহের সঞ্চার হয় । ‌
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের রাজনৈতিক পোষ্ট করার থেকে দূরে থাকুন ।

আমাদের পেজ ফ্লো করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানায় ।

66total visits.