শিক্ষা আর বোঝা নয়, দক্ষিনমাজু থেকে ভারতীয় মানবাধিকারের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের এই বার্তা ।

শিক্ষা আর বোঝা নয়, দক্ষিনমাজু থেকে ভারতীয় মানবাধিকারের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের এই বার্তা । হাওড়ার অর্ন্তরগত দক্ষিনমাজু কিশোরী মোহন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (সুকুমার সোরেন) ও সহ শিক্ষক (সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রীতম মাখাল) এর আমন্ত্রনে বাৎসরিক নবীনবরন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সঞ্জয় দাসগুপ্ত (ভারতীয় মানবাধিকারের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্টের) ,পারুল শ্রীবাস্তব (ওয়েস্ট বেঙ্গল ওম্যান প্রটেক্সেনের ইনচার্জ ), শুভ আইচ ( চিত্রশিল্পী ও সমাজ সেবক ), ঋজু রায় (টলিউড অভিনেতা), বিশ্বরঞ্জন চৌধুরী ( নাট্য কর্মি ও সমাজ সেবক), শক্তিপদ সিনহা (ফুটবল প্লেয়ার), জয়ন্ত গোলুই (উপ প্রধান), কলুনা বাটুই (প্রধান), শক্তিপদ গঙ্গোপাধ্যায় (সঙ্গিত শিল্পী), সনৎ দে (ফুটবল প্লেয়ার), গনেশ মাঝি (সমাজ সেবক) ও আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানের মঞ্চে ভারতীয় মানবাধিকারের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় দাসগুপ্ত শিক্ষার উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন- শিক্ষা আর বোঝা নয়, যদি অভিভাবকেরা জোর করে না চাপিয়ে দেন তাদের ছেলে-মেয়ের উপর, বন্ধুর মতো ব্যাবহার রেখে জেনে নেওয়া উচিৎ তাদের ছেলে-মেয়েরা কি চাইছেন । আজ কাল বাচ্চাদের উপর চলছে নিজেদের অজান্তে নিজেদের ইচ্ছা পুরোন ও প্রতিযোগিতা, যে কারনে ছেলে-মেয়েরা শিক্ষাকে বোঝা মনে করছেন আর নিজেদের ইচ্ছাকে পুরন করতে গিয়ে জরিয়ে পরছেন খারাপ কাজের সাথে, ঘটছে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা নামোক বোঝার ফলাফল । প্রতি বছরি বহু শিক্ষার্থী আত্মঘাতি হয় অভিভাবকদের প্রতিযোগতার রেসে দৌরাতে গিয়ে । আজ আমরা সকলেই শিক্ষিত সমাজে বসবাস করি কিন্তু কিছু জাইগাতে উচ্চ শিক্ষিত হয়েও হতে হয় বোকা, কারন শিক্ষার সাথে আগে পরিচিত কিন্তু মন থেকে নয়, উচ্চ শিক্ষিত হয়েও সাহায্য নিতে হয় অপর কোন বেক্তির । শুধু মাত্র শিক্ষকদের উপর নির্ভর করলে হবেনা কারন শিক্ষকেরা শিক্ষা দেন আর অভিভাবকেরা দেন প্রশিক্ষন । যার ফলে সন্তান একদিন হয়ে উঠবে মানুষের মত মানুষ । সব শেষে ওনার বলার বক্তব্য ছিলো এটাই, জোর করে নয় তাদের ইচ্ছা মতো, আর ছোট অবস্থা থেকে বাবা-মা ও পরিবারের সকলে ঠিক থেকে নিজেদের ইচ্ছাকে না চাপিয়ে বন্ধুর মতো করে মিশে খেলার ছলে চেষ্টা করুন শিক্ষা দিতে, দেখবেন একটা দিন এই সমাজের সত্যি কারের শিক্ষিক ব্যক্তি হয়ে উঠবে কমবে ক্রাইম, বুঝতে শিখবে নিজের সাথে সমাজকে, আর চলতে শিখবে সঠিক পথে । এই কথায় বলেন ওনার ভাষাতে ।
যার উদ্দেশ্যে আজকের এই বাৎসরিক নবীনবরন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তার কথা না বললেই নয়-
অভাবের সংসারে খুবই কষ্টে, নিজে টিশন করে নিজের পরিবার ও নিজের শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যান । শিক্ষা শেষ করে অনেক কষ্ট করে পঞ্চায়েত অফিসে একটা কাজ পান অল্প মাইনেতে । কর্মরতো অবস্থায় থাকা কালিন নিজের ভাই ও বোনের বিয়ে দিয়ে নিজে সংসারি হয়ে ওঠেন । 24/04/2010 তারিখে কবি কাজি নজরুল ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ হন , 22/10/2012 তারিখে বদলি হয়ে আসেন দক্ষিনমাজু কিশোরী মোহন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে । 2016 সালে বিদ্যালয়ে বাৎসরিক নবীনবরন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত করনে আর আজও সেটা হয়ে আসছে ।

280total visits.